রহস্যজট (পর্ব-৯)

“আমার স্ত্রীকে কে গুলি করল?” – বলে চিৎকার করতে করতে মনোয়ার সাহেব হাসপাতালে ঢুকলেন। তার স্ত্রী আইসিইউতে ভর্তি। পুলিশ মনোয়ার সাহেবকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করল, গতরাতে তিনি কোথায় ছিলেন? তিনি বললেন, গতরাতে তিনি এক বন্ধুর বাসায় ছিলেন। তিনি আরও বললেন, স্ত্রীর খবর নেওয়ার জন্য যখন তিনি ফোন করেছিলেন, তখন তাদের বাড়ির কাজের বুয়া ফোন রিসিভ করে শুধু জানায় যে, তার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। আর এই খবর শোনামাত্রই তিনি দৌড়ে হাসপাতালে চলে এসেছেন।

কিন্তু মনোয়ার সাহেবের কথাগুলো শোনার পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। কেন?

উত্তর: মনোয়ার সাহেবের স্ত্রীকে যে গুলি করা হয়েছে সেই খবর তো কেউ তাকে জানায়নি। কাজের বুয়া শুধু জানিয়েছিল যে, তার স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। তাহলে নিশ্চয়ই মনোয়ার সাহেবের স্ত্রীর এই দুর্ঘটনার সাথে তিনি কোনোভাবে জড়িত।

গত পর্বের সমাধান

খুনি ফাইজা

ব্যখ্যা: পরিষ্কারকর্মী মহিলা টয়লেটে পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্ত দেখতে পেয়েছে। আর মহিলা টয়লেটে যেহেতু মহিলা ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করে না, সেহেতু রেস্টুরেন্টে উপস্থিত একমাত্র মহিলা ফাইজা-ই খুন করেছে।

রহস্যের জট খুলে পাঠিয়ে দাও [email protected] এই ঠিকানায়। মেইলের সাবজেক্টে লিখবে ‘রহস্যজট-৯’। রহস্যের সমাধানকারীদের মধ্যে দৈবচয়নে পাঁচজন গোয়েন্দা পাবে ষোলোর পরবর্তী সংখ্যার সৌজন্য কপি! উত্তর পাঠাতে হবে ১ ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে। উত্তর পাঠানোর সময় তোমার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বারও লিখে দেবে।

গত পর্বের বিজয়ী

জুনায়েদ হাসান, হারুনুর রশীদ রাজিব, আব্দুল্লাহ আহমাদ, সায়েমা শাফায়েত হেনা


Posted

in

by

Tags: